বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে কয়েকজন দলীয় সংসদ সদস্য ও নেতাদের নিয়ে ঠাকুরপাড়া পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে আগের ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে ওই মহল আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য ঘটনাগুলো ঘটিয়ে আসছে।’
এ সময় হুইপ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ঠাকুরপাড়ার তাণ্ডবের সঙ্গে জামায়াত সরাসরি জড়িত। তারা পরিকল্পিতভাবে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করার জন্য এ তাণ্ডব চালিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করছে, যারা প্রকৃত দোষী তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ বলেন, ‘সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে আগুন দিয়ে মালামাল লুট করে হামলা চালিয়ে তাদের ভয় দেখিয়ে ভারতে পাঠানোর দিন শেষ হয়ে গেছে। আমরা আর ভয় পাই না। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে অত্যন্ত যত্নশীল ও সচেতন। ফলে যারা মনে করেন, এভাবে হামলা করে সংখ্যালঘুদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করে ভারতে পাঠিয়ে দেবেন তাদের সাবধান করে দিতে চাই।’
এর আগে নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ প্রদান করেন পরে সেখানে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন তারা। সেখানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামসুল ইসলাম টুকু, সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র , সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালসহ আরও অনেকে।