ওসি আব্দুল আজিজ জানান, গত ৩ ডিসেম্বর (রবিবার) নগরীর কটকীপাড়া এলাকার আল আমিনের স্ত্রী তামান্না বেগম অসুস্থ অবস্থায় জনতা ক্লিনিকে ভর্তি হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ক্লিনিক থেকে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু রোগীর স্বজনরা তামান্নাকে সেখানে ভর্তি না করে নগরীর ধাপ এলাকার কছির উদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তামান্না মারা যায়। পরে এ ঘটনায় তামান্নার স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বিকালে জনতা ক্লিনিকে হামলা চালিয়ে কর্মচারীদের মারধর করে। এক পর্যায়ে তারা ক্লিনিকের পাশেই ক্লিনিক মালিক ডা. পিন্টুর বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
স্বজনদের অভিযোগ, জনতা ক্লিনিকে ভর্তি থাকার সময় ভুল চিকিৎসার কারণে তামান্নার অবস্থার অবনতি ঘটেছে। তবে জনতা ক্লিনিকের ম্যানেজার বাবুল হোসেন জানান, তাদের এখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে লিখিত ভাবে জানানো হলেও তারা সেখানে ভর্তি না করে অন্য একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেছে।
ওসি আরও জানান, এ ব্যাপারে কোনও পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।