আনিছুরের স্ত্রী মিনু রহমান জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সাংবাদিক আনিছের জামিনের নির্দেশ দেন।
কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারের জেলার লৎফর রহমান জানান, বুধবার আনিছুরের জামিনের আদেশ সংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর বিকালে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
রৌমারীর যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর গ্রামের সুমন মিয়া (২৪) নামের এক তরুণ তার ফেসবুকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করে একটি পোস্ট দেয়। বিষয়টি আনিছুরের নজরে আসলে তিনি মোবাইলে পোস্টটির স্ক্রিন শট নিয়ে তা শাহ কামাল নামে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাকে দেখান। শাহ কামাল ওই ঘটনায় সুমন মিয়াকে অভিযুক্ত করে ৮ সেপ্টেম্বর রৌমারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সুমন মিয়াকে আটক না করে মামলার ২ নম্বর আসামি আনিছুরকে আটক করে পুলিশ।
আনিছুরের পরিবারের দাবি, যাদুরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর সঙ্গে আনিছুরের বিরোধ ছিল। সে কারণেই স্থানীয় নেতারা পুলিশকে দিয়ে তাকে মিথ্যা মামলায় আটক করে।
আনিছুরের স্ত্রী মিনু রহমান জানান, পুলিশের প্রস্তাবে মামলার বাদী হতে রাজি না হওয়ায় তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল খাটানো হয়েছে।