আমদানি বাড়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৪ টাকা কমেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় হিলি স্থলবন্দরে পাইকারি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এ ব্যাপারে হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় আগের তুলনায় বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বেড়ে গেছে। যার ফলে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি পরিমাণ বেড়েছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশীয় জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। বাজারে দেশীয় জাতের পাতা পেঁয়াজ ও মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠা শুরু করেছে। যা অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি কমেছে ১৪ টাকা।এর আগে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি কমে গিয়েছিল। এ কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গিয়েছিল।’
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৫১ টাকা থেকে ৫৬ টাকা কেজি দরে পাইকারিতে (ট্রাকসেল) বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এসব পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আর বাংলা হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও এসব পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও বাজারে দেশি জাতের পাতাসহ পেঁয়াজ ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এসব পাতাসহ পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বন্দর দিয়ে দৈনিক ৩৫ থেকে ৪০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। চলতি মাসের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ৫০১টি ট্রাকে ১০ হাজার ২০৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আর গত নভেম্বর মাসে বন্দর দিয়ে ৬৮১টি ট্রাকে ১৩ হাজার ৬২০টন এবং অক্টোবর মাসে ৫৮৬টি ট্রাকে ১১ হাজার ২৫২টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।