ভেঙে যাওয়া ব্রিজদুই বছর আগে ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি এখনও পুনর্নির্মাণ হয়নি। এতে ২০ গ্রামের মানুষ এখন বাঁশের সাঁকো দিয়েই পার হচ্ছেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌর এলাকার রামডাকুয়া-শ্যামরায় পাঠ সড়কের তিস্তা শাখা নদীর ওপর ২০০৯ সালে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। দুই বছর আগে বন্যার সময় ব্রিজটি ভেঙে যায়।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোহাম্মদ আবুল মনছুর বলেন, ‘ব্রিজটি নির্মাণের জন্য এর আগে দুই বার বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দফতর আবারও নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের তথ্য চেয়ে আবেদনপত্র চায়। পরে গত বছরের নভেম্বর মাসে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রাথমিক তথ্য ছক (পরিকল্পনাপত্র) সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে। পরিকল্পনাপত্র অনুযায়ী এলজিইডির একটি টিম সরেজমিন পরিদর্শনও করেছে।’
বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারতিনি আরও বলেন, ‘পরিকল্পনাপত্রটি সংশ্লিষ্ট দফতরে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। চলতি অর্থ বছরে অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার সম্ভাবনাও আছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ব্রিজটি নির্মাণ শুরু করা হবে। আগে ব্রিজটি পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্মিত হয়নি। নিজ অর্থায়নে অপরিকল্পিতভাবে ব্রিজটি নির্মাণ হওয়ায় তা অল্প দিনেই ভেঙে গেছে।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০০৯ সালে নিজ অর্থে ব্রিজটি নির্মাণ করেন সাবেক এমপি কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুল কাদের খাঁন। এতে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল।