সাজু মিয়া ইসলামপুর গ্রামের গেন্ধা শেখের ছেলে ও দুলা মিয়া ছাইগারী গ্রামের ওয়ারেছ আলীর ছেলে।
নিহতদের পরিবারের দাবি, শীত নিবারণে পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা ও গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সদস্য এস এম আব্দুর রহমান জানান, দরিদ্র সাজু মিয়া ছোট একটি দোকান দিয়ে ব্যবসা করতেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্ট রোগে ভুগছিলেন। কয়েক দিনের টানা শীতের প্রকোপে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। এছাড়া শীত নিবারণের পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় দুর্ভোগে পড়েন সাজু মিয়া। শীতের তীব্রতা অসহনীয় হওয়ায় সোমবার নিজ বাড়িতে সাজু মিয়ার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, শীতের তীব্রতায় হতদরিদ্র দুলা মিয়াও অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান।
তীব্র ঠাণ্ডায় শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালসহ ছয় উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসা নিচ্ছে মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। সর্দি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রবিবার (০৭ জানুয়ারি) এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অমল চন্দ্র সাহা।