শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পেঁয়াজের রফতানি মূল্য কমানো সংক্রান্ত নির্দেশনা আসে ভারতের হিলি কাস্টমসে। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তা কার্যকর করা হয়।
হিলিতে ভারতের সিএন্ডএফ এজেন্ট খোকন সরকার সীমান্তের শূন্যরেখায় বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানির ন্যূনতম মূল্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে নির্ধারণী সংস্থা ন্যাফেড। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা শুক্রবার বিকালে হিলি কাস্টমসে এসে পৌঁছেছে এবং কাস্টমসের সার্ভারে তা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে পেঁয়াজ রফতানিতে আর কোনও ন্যূনতম রফতানি মূল্য থাকলো না। এর ফলে ব্যবসায়ীরা যে দামে পেঁয়াজ কিনবেন সে দামেই রফতানি করা হবে।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন ও মো. মামুনুর রশীদ লেবু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানিতে সে দেশের সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মূল্য প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। ফলে আমরা এখন যে দামে পেঁয়াজ কিনবো সে দামেই এলসি খুলতে পারবো। তবে আজ শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে নতুন মূল্যে এলসি খোলা যাচ্ছে না। এ কারণে আজ বন্দর দিয়ে পুরাতন মূল্যেই পেঁয়াজ আমদানি হবে। আগামীকাল রবিবার ব্যাংক খুললে নতুন মূল্যে এলসি খোলা হবে এবং বন্দর দিয়ে নতুন মূল্যে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে। আশা করছি, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ যেমন বাড়বে তেমনি দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও কমে আসবে।’