এর আগে, ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের নির্বাচনি জনসভায় ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছিলেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরগাঁওয়ে আসার খবরে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশায় রয়েছেন জেলাবাসী। সরাসরি ঠাকুরগাঁও-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস, পড়ে থাকা বিমানবন্দর ও রেশম কারখানা চালু এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপনসহ বেকারত্ব দূরকরণে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি এলাকার মানুষের।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহা. সাদেক কুরাইশী জানান, দলীয় মুখপাত্র হিসেবে তিনি স্থানীয়দের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন। তিনি আরও জানান, জনসভায় ৫ লাখেরও বেশি নারী-পুরুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৯ মার্চ বৃহ্স্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ঠাকুরগাঁও সেক্টর হেডকোয়ার্টার মাঠে হেলিকপ্টারে পৌঁছাবেন। পরে তিনি স্থানীয় সার্কিট হাউসে কিছু সময় কাটাবেন। পরে দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসন ও জেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি ৬৪টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। এরপর বিকাল ৩টায় জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জেলা প্রশাসক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ৭৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা পাঠানো হয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ৬৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন তালিকা আসে।
পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকতে আইশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে। রাস্তায় রাস্তায় চেকপোস্টসহ কড়া নজরদারিতে রয়েছে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।