এদিকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের পর এটি হবে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিলবোর্ড সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের টার্মিনাল চত্বরে লাগানো হয়েছে।
উত্তর জনপদের নীলফামারীর মানুষ এ খবর শুনে সরকারের উদ্দ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে। এ ছাড়াও সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলে রংপুর বিভাগের ৮টি জেলাসহ আশপাশের জেলার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে। বদলে যাবে এই এলাকার মানুষের জীবনমান।
এদিকে বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত কাজের অংশ হিসেবে গত ৩১ মার্চ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (সিসিএবি) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ নাইম হাসান ও সদস্য (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডোর মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল বিমানবন্দরটি পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে গেছেন।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক শাহীন আহম্মেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত ৩১ মার্চ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (সিসিএবি) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ নাইম হাসান ও সদস্য (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডোর মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল বিমানবন্দরটি পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে গেছেন। বিমানবন্দরের অবকাঠামো এবং উন্নয়নের কারিগরি দিক পর্যবেক্ষণ করেন তারা। আশা করি, দ্রুত এটি সবার কাছে দৃশ্যমান হবে।’