টিসিবি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার থেকে রাজধানী ঢাকায় ৩২টি, চট্টগ্রামে ১০টি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ৫টি এবং বাকি জেলাগুলোর ২টি স্থানে ট্রাকে করে ৫টি নিত্যপণ্য বিক্রি করা হবে। কিন্তু কুড়িগ্রাম জেলা শহরের কোথাও টিসিবির পণ্য বিক্রি করতে দেখা যায়নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসনের ব্যবসা বাণিজ্য শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নেজারত ডেপুটি কালেক্টর সুদীপ্ত কুমার সিংহ জানান, টিসিবি’র আঞ্চলিক কার্যালয়,রংপুর থেকে এখনও এ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। পণ্য বিক্রি সংক্রান্ত নির্দেশনা পেলে আমরা তা তদারকির ব্যবস্থা করবো।
সারাদেশে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি শুরু হলেও কুড়িগ্রামে কেন শুরু হয়নি-এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিসিবি আঞ্চলিক কার্যালয়, রংপুরের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী মিশকাতুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রবিবার থেকে সারাদেশে টিসিবি’র পণ্য বিক্রির শুরু হওয়ার কথা থাকলেও রংপুর বিভাগের শুধু রংপুর শহরে শুরু হয়েছে। কুড়িগ্রামসহ বিভাগের অন্যান্য জেলায় দুই-এক দিনের মধ্যে শুরু হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,টিসিবি কর্তৃক প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৮৫ টাকা, দেশি চিনি ৫৫ টাকা, ছোলা ৭০ টাকা, মসুর ডাল (মাঝারি সাইজ) ৫৫ টাকা, খেজুর ১২০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। শুক্র ও শনিবার বাদে বাকি ৫ দিন নির্ধারিত স্থানে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে।
একজন ভোক্তা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৪ কেজি চিনি, ৪ কেজি মসুর ডাল, ৫ লিটার সয়াবিন তেল, ৫ কেজি ছোলা ও এক কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। প্রতিদিন প্রতি ট্রাকে বিক্রির জন্য ৩০০-৪০০ কেজি চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, ছোলা এবং ৩০-৫০ কেজি খেজুর বরাদ্দ থাকবে।