উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবেন্দ্রনাথ উরাঁও এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কৃষি অফিস জানায়, গত ১৫ মে মেসার্স সৈকত ট্রেডার্স, সৈকত এন্টারপ্রাইজ, প্রভাত চন্দ্র সাহা ও মেসার্স আবুল হোসেন ট্রেডার্স উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে চট্টগ্রাম টিএসপি কমপ্লেক্স থেকে ২ টন নন ইউরিয়া সার উত্তোলনের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে প্রত্যয়নপত্র জমা দেন।
জমাকৃত প্রত্যয়নপত্রটি সন্দেহ হলে টিএসপি কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ থেকে ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ধরনের কোনও প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেননি মর্মে জানান। ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত সার ডিলাররা দফায় দফায় কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে ব্যর্থ হন।
এদিকে ঘটনা তদন্তে উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবেন্দ্রনাথ উরাঁও ৩০ মে (আজ) সকাল ১০টায় উপজেলা হলরুমে এক জরুরি সভা আহ্বান করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সার ডিলার প্রভাত চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আমাদের কিছু ত্রুটি হয়েছে। মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি। ’
অপর অভিযুক্ত সার ডিলার মেসার্স সৈকত ট্রেডার্স ও সৈকত এন্টারপ্রাইজের মালিক বাবুল আক্তারের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ বলেন, ‘আমার স্বাক্ষর ও সিল জাল করে সার উত্তোলন করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো। এ ব্যাপারে জরুরি সভা ডাকা হয়েছে।’
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবেন্দ্রনাথ উরাঁও বলেন, ‘স্বাক্ষর জাল করে সার উত্তোলন চেষ্টার বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমাকে জানিয়েছে। জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের ডিলারশিপ বাতিলের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হবে।’