জানা যায়, দুবাই বন্দর দিয়ে এসব খেজুর চট্রগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরে চলে যায়। তারপর ব্যবসায়ীরা গোডাউনে মুজদ করে রাখে। আর ওই গুদাম বা গোডাউনগুলোতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের নেই কোনও ব্যবস্থা। ফলে মাসের পর মাস পড়ে থাকা খেজুরগুলো খাবার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
নীলফামারী জেলা শহরের বড় বাজারের ফল ব্যবসায়ী আকতারুজ্জামান বলেন, ‘সৌদি আরব থেকে খেজুর আসে এটাই আমরা জানি। ক্ষুদ্র একজন ব্যবসায়ী হিসেবে জেলার সৈয়দপুর থেকে খেজুর কিনে এনে বাজারে বিক্রি করি। কোনটা ভাল কোনটা মন্দ মহাজনেরা ভাল জানে।’
সদর উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও স্যানেটারি কর্মকর্তা মো. আল আমিন রহমান বলেন, ‘রোজা উপলক্ষে আমাদের ভেজালবিরোধি অভিযান অব্যাহত আছে। বিশেষ করে ভোক্তারা যেন রমজান মাসে ভালো পণ্যসেবা পায় সে ব্যাপারে নজর রাখা হচ্ছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাহিদ তামান্না বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত ১৯ মে জেলা শহরের বিভিন্ন পণ্যের দোকানে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় নগদ অর্থ জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ বিভিন্ন পণ্য ধ্বংস করা হয়। এই ভেজালবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।’