নিহতরা হলেন- বর ইকবাল হোসেনের বড় বোন হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা এলাকার আমিনুর রহমানের স্ত্রী তানজিমা বেগম (২৬) ও উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের গোড্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা ও বরের চাচা আব্দুল লতিফ (৪০)।
আহতরা হলেন-বর ইকবালের ভগ্নিপতি আমিনুর রহমান(৩২), জাফিরুল ইসলাম (৩৪), ফরিদুল ইসলাম (৩৬) ও তার বড় ভাই আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী লাকী বেগম (২৫) এবং থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্র পরিবহনের চালক রিপন হোসেন (২৯)। পাটগ্রাম থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বর ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আনন্দটাই মাটি হয়ে গেছে। আমার বোন ও চাচাকে এভাবে হারোবে, ভাবতেই পারছি না। আমার ভাবি (লাকি বেগম) গুরুতর আহতাবস্থায় রংপুরে হাসপাতালে বেঁচে থাকার লড়াই করছে। কীভাবে কী হলো-এই মূহুর্তে বলতে পারবো না। বোনের দাফন করা হয়েছে। বাদ জুমা চাচারও লাশ দাফন করা হবে।’
পাটগ্রাম থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘বুড়িমারী ইউনিয়নের উফারমারা মেডিক্যাল এলাকার নুর ইসলামের মেয়ে বিলকিস বেগমের (১৮) সঙ্গে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের আমিনুল ইসলামের ছেলে ইকবাল হোসেনের (২৫) বিয়ে ঠিক হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তিনটি থ্রি-হুইলার পরিবহনে বরযাত্রীতে যায়। বিয়ে শেষে বড়খাতায় ফেরার পথে পাটগ্রাম ইউনিয়নের মেলারবাড়ী নয়ারহাট (রহমানপুর) এলাকায় বিপরীত দিক পাটগ্রাম থেকে ষোলঘরিয়া মুদিপাড়াগামী একটি ট্রলি একটি মাহিন্দ্র পরিবহনকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বরের বড় বোন তানজিনা মারা যান। আর রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চাচা আব্দুল লতিফ মারা যান।।’
তিনি আরও বলেন, ‘ট্রলিচালক জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। চালকের বাড়ি থেকে শুক্রবার সকালে ট্রলিটি আটক করা হয়েছে।’