অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া বলেন, ‘ওদের লোকই ছিল তিন-চার জন। আমরা বাধা দেয়নি।’
আন্দোলনকারীরা জানান, সকাল ১০টার পর থেকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাসেল চত্বরে সমবেত হন। মিছিল বের করার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে রাখে। পুলিশও চারদিকে বেষ্টনী তৈরি করে অবস্থান নেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের নেতা ওয়াদুদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নোবেল শেখের কথা কাটাকাটি হয়। ছাত্রলীগের নেতারা তাকেসহ আন্দোলনকারীদের দ্রুত রাসেল চত্বর ত্যাগ করে চলে যেতে বলেন। মিছিল করার চেষ্টা করা হলে সমুচিত দেওয়া হবে বলে জানান। অব্যাহত হুমকি-ধামকির কারণে তারা কর্মসূচি পালন করতে পারেননি।
এদিকে আন্দোলনকারীরা যাতে ক্যাম্পাসে মিছিল করতে না পারে, সেজন্য ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার ও সাধারণ সম্পাদক নোবেলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়।
এদিকে কর্তব্যরত পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, আমরা শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার জন্য ক্যাম্পাসে অবস্থান করছি।