জানা গেছে, গত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় তিন কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নির্মাণ কাজের কার্যাদেশ পায় মেসার্স শাহজাহান কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজের চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
মেসার্স শাহজাহান কনস্ট্রাকশনের মালিক সোহরাব হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি বেলাল হোসেন বলেন, ‘বর্ষায় ব্রিজের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।’
জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার রায় বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি, দ্রুত ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন তারা।’
নীলফামারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান বলেন, ‘কাজটি দ্রুত শেষ করার জন্য আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্নভাবে চাপ দিচ্ছি। আশা করছি, ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।’