গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রাফিউল আলম এ অভিযান চালান। অভিযানে বাড়ির গোডাউন ঘরে মজুদকৃত প্রায় লক্ষাধিক পাঠ্যবই জব্দ করা হয়।
জব্দ করা বইগগুলো চলতি শিক্ষাবর্ষসহ বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের। মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণের জন্য সরবরাহকৃত সরকারি পাঠ্যবই এসব।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রাফিউল আলম বলেন, ‘উদ্ধার করা প্রায় লক্ষাধিক পাঠ্যবইগুলো জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। বইগুলো কারা বিক্রি করেছে, কোথায় থেকে এসব এনে গোডাউনে মজুদ করে রাখা হয় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া ব্যবাসায়ী আব্দুর রাজ্জাকসহ এসবের সঙ্গে আরও কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।’
গোবিন্দগঞ্জ থানার (ওসি, তদন্ত) শফিকুজ্জামান জানান, ‘বইগুলো জব্দ করার সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া তাকে আটকের চেষ্টাও চলছে। ’
দীর্ঘদিন একটি চক্র গাইবান্ধা জেলা সদর ছাড়াও ছয় উপজেলা শহর ও বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীর হাতে তুলে না দিয়ে বাজারে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী এসবের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে, ২০১৭ সালের ২ নভেম্বর গাইবান্ধায় কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশে আনা ২০১৮ সালের সপ্তম শ্রেণির ১০ হাজার বই জব্দ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় রাজু নামে একজনকে আটক করে মামলা হয়।