শুক্রবার (৬ জুলাই) রাতে ডিমলার দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রামের জাহিদুল ইসলামে মেয়ে ও নবম শ্রেণির ছাত্রী জেসমিন আক্তারের বিয়ে হয় দক্ষিণ গয়াবাড়ী গ্রামের নুরুজ্জামানের সঙ্গে।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল উপস্থিত থেকে জেসমিনের বিয়ে দিয়েছে।’
স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালেও বিয়ে বন্ধে কেউই কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ইউএনও নাজমুন নাহার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানার পর পুলিশ প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যানকে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে বলেছিলাম। পরবর্তীতে কোনও সংবাদ না পাওয়ায় আমি বাল্যবিবাহ হয়নি বলেই ধরেই নিয়েছিলাম।’
এছাড়া, বৃহস্পতিবার উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ খড়িবাড়ী তেলির বাজার গ্রামের অফিসারের মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী শারমিনের বিয়ে হয়। শনিবার (৭ জুলাই) রাতে সোনাখুলি গ্রামের সুভাশ চন্দ্র রায়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে একই এলাকার ননী চন্দ্র রায়ের ছেলে জয়কান্ত রায়ের (১৫) বিয়ে হয়।
এ বিষয়ে ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাল্যবিয়ের ঘটনার বিষয়টি আমার জানা নেই। বাল্য বিয়ের ঘটনার পুলিশ যাওয়ার নিয়ম নাই। ইউএনও ও ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত হলে পুলিশ সেখানে যেতে পারত।’
উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, ‘বাল্যবিয়ের ঘটনায় প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছিল।’