তিন দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আবারও পাইকারিতে কাঁচামরিচের দাম কমেছে কেজি প্রতি ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা। তিন দিন আগেও প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। বন্দর দিয়ে ২৮ জুলাই শনিবার ৯টি ট্রাকে ৭৮টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। ২৯ জুলাই রবিবার বন্দর দিয়ে ৪টি ট্রাকে ২২টন ও ৩০ জুলাই সোমবার বন্দর দিয়ে ১০টি ট্রাকে ৮০টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত ১০ ট্রাক কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে।
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত এসব জাতের কাঁচামরিচ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। তিন দিন আগেও এসব জাতের কাঁচামরিচ ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আর বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত কাঁচামরিচের দাম খানিকটা কমে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তিন দিন আগে এসব কাঁচামরিচ ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আর দেশী জাতের কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১শ’ টাকা কেজি দরে। তিন দিন আগে যা ১শ’ ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচামরিচ ব্যবসায়ী মোস্তফা হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, দেশের বাজারে বাড়তি চাহীদার কথা মাথায় রেখে বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। এতে করে বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানির পরিমাণ বেড়ে গেছে। আগে যেখানে গড়ে প্রতিদিন ৪/৫ ট্রাক কাঁচামরিচ আমদানি হতো এখন সেখানে গড়ে প্রতিদিন ৭/১০ট্রাক করে কাঁচামরিচ আমদানি হচ্ছে। এর ফলে দেশের বাজারে চাহীদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় কাঁচামরিচের দামও কমেছে। এছাড়া সম্প্রতি দেশের ঝিনাইদহ, মধুখালি ও মেহেরপুর অঞ্চলে নতুন জাতের কাঁচামরিচ উঠতে শুরু করায় বাজারে দেশীয় কাঁচামরিচের সরবরাহও কিছুটা বেড়েছে। এর ফলে চাহিদা কিছুটা কমেছে এবং বাজারেও কাঁচামরিচের দাম কমেছে।