তিনি জানান, বাংলাদেশি যেসব শিশু-কিশোর কাজের সন্ধানে, ঘুরতে বা পাচারের শিকার হয়ে বা অন্য যেকোনও কারণে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। তারা সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বা পুলিশের হাতে আটক হয়ে সিএনসিপি (চাইল্ড নিড কেয়ার অ্যান্ড প্রটেকশন) হিসেবে শুভায়োন হোম বা শিশু সংশোধনাগারে রাখা হয়। এরপর তাদের তথ্য স্বরাষ্ট্র দফতর ও বিএসএফকে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে তাদের বাড়ি ও ঠিকানা খোঁজখবর করে জানায় তারা। পরে বিএসএফ ও বিজিবি এই বিষয় নিয়ে বৈঠক করে। তাদের নাম ঠিকানা যাচাইসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ড সারতে কিছুটা সময় লাগে। যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিশু সংশোধনাগারে থাকে তারা। দক্ষিণ দিনাজপুরের দু’টি শিশু সংশোধনাগারে এখনও ৩০ বাংলাদেশি শিশু কিশোর রয়েছে। তাদের নাম ঠিকানা যাচাই করার পর দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ওসি আফতাব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সাধারণত ভারতে গিয়ে আটক পড়া শিশুদের বিষয়ে সেদেশের বিভিন্ন মানবধিকার ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। এমন আটক ৩০ বাংলাদেশি শিশু কিশোরকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।