নীলফামারীতে যানবাহন রেজিস্ট্রেশনের হিড়িক

নীলফামারীসম্প্রতি ছাত্র আন্দোলন ও ট্রাফিক সপ্তাহের কারণে নীলফামারীতে যানবাহন রেজিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশনের হিড়িক পড়েছে। ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত নীলফামারীতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যানবাহনের রেজিস্ট্রেশনের হার বেড়েছে বিআরটিএতে।

ট্রাফিক সপ্তাহে নীলফামারী জেলায় ৭৯৩ টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ৬১৭টি, ট্রাক ৭৭টি, পিকআপ ভ্যান ৫১টি, কাভার্টভ্যান ২২টি, মাইক্রোবাস আটটি, বাস ১০টি, প্রাইভেটকার আটটি রয়েছে। এছাড়াও বিআরটিএ থেকে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছে ৩০০ ব্যক্তি ও মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন পড়েছে ৯৭টি।

সূত্র জানায়, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত দাফতরিক কাজ করছেন বিআরটিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করছেন তারা।

এদিকে, জনসচেনতা বাড়াতে র‌্যালি, লিফলেট বিতরণ ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সমাবেশ করেছে পুলিশ বিভাগ।

বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে,  এ যাবত ২৫ হাজার ৪৭৮টি মোটরসাইকেল, কার ১৪টি, মাইক্রোবাস ১১, অ্যাম্বুলেন্স ৭, জিপ ৩৮টি, পিকআপ ৮৭ টি, ট্রাক ৭টি, বাস ১৮টি, গ্রুপ ক্যারেজ ৩, ট্যাংলরি একটি, পানিবাহিত ট্যাংকার ৫টি রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ডিজিটাল নম্বর প্লেট দেওয়া হয়েছে।

নীলফামারী সার্কেলের পরিদর্শক তাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সপ্তাহে অন্তত ৮০-৯০ জন শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য এসে ভিড় করছে। অতিরিক্ত সময় ব্যয় করেও গ্রাহক সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফিটনেস, নম্বর প্লেটসহ কাগজপত্র আছে কিনা তা দেখে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বাংলাট্রি বিউনকে বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ত্রুটি থাকলে তা যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ট্রাফিক বিভাগকে নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।’

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহম্মেদ বলেন, ‘আমরা যদি দেশের প্রচলিত আইন ও ট্রাফিক আইন মেনে চলি, তাহলে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। পথচারীসহ সবাইকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানাই।’