বাদুড় নিয়ে কল্পকাহিনীর কুসংস্কারের যুগ কেটে গেছে। এরা মানুষের উপকারই করে। বিশেষ করে কলা আর অ্যাভোকাডোসহ প্রায় ৩০০ রকমের গাছের বীজ ছড়াতে সাহায্য করে। আবার কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসল রক্ষা করে। তাই মানব কল্যাণকারী ও পরিবেশ বান্ধব এ প্রাণীটি রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
ইউএনও বলেন, দেড়শ’ বছরের পুরনো প্রায় ৩ একরের বাঁশঝাড় ও দু’টি একশ বছরের বটগাছে বাদুড়েরা নির্ভয়ে বসতি গড়েছে। এটি রক্ষায় পরিবেশবাদী সংগঠন সেতুবন্ধন ও এলাকাবাসী আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। যার কারণে এখানকার স্তন্যপায়ী এ প্রাণীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েছে। তাদের এই আবাসস্থল ধরে রাখতে স্থানীয়দের সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, এই মহতি কাজে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব সহযোগিতা অব্যহত থাকবে।