পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জেলা শহরের ঘোষপাড়ার জ্যোতি স্টিল হাউজের মালিক আব্দুল খালেক (বাদল হাজি) তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে একটি ব্যাগে করে দোকানের সাত লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়ে শহরের হাটির পাড় এলাকায় নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় তিনি বাসার সামনে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে থাকা জীবন মিয়া নামে এক যুবক ব্যবসায়ী আব্দুল খালেকের কাছ থেকে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেয়। তৎক্ষণাত ওই ব্যবসায়ীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছিনতাইকারী যুবককে ধাওয়া করলে ওই যুবক হাসপাতাল পাড়ার ইয়াছিন আলীর বাড়িতে আত্মগোপন করে। পরে স্থানীয়রা ওই বাড়ির পিছনের একটি পরিত্যক্ত পুকুরের কুচুরি পানার ফাঁকে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় ছিনতাইকারী যুবককে আটক করে। ইতোমধ্যে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই বাড়ি তল্লাশি করে পুকুরের পানির নিচ থেকে ৭ লাখ টাকাসহ টাকার ব্যাগ উদ্ধার করে। এসময় বাড়ির মালিক ইয়াছিন আলীর স্ত্রী রাশেদা বেগম এবং তার ছেলে আশরাফুল ইসলাম পুলিশকে বাধা দেয় এবং গালিগালাজ করতে থাকে। রাশেদা বেগম উদ্ধারকৃত টাকা নিজেদের বলেও দাবি করেন। পরে পুলিশ রাশেদা বেগম, তার ছেলে আশরাফুল ইসলাম ও ছিনতাইকারী জীবন মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজার রহমান জানান, ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বাদী হয়ে আটক তিনজনের নামে থানায় মাওমলা করেছেন। আটকদের আদালতে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।