ইউনিয়ন তিনটির সীমানা জটিলতা ছিল উপজেলার অভ্যন্তরে বিলুপ্ত চার ছিটমহলকে ঘিরে। ২০১৬ সালে ছিটমহল বিলুপ্তির পর ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলেও উচ্চ আদালতে সীমানা জটিলতার মামলায় নির্বাচন স্থগিত হয়।
ওই ইউনিয়ন তিনটিতে চেয়ারম্যান পদে ১২ জন, ২৭টি সাধারণ সদস্য পদে ৯০ জন এবং ৯টি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৩১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সাতজন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১১ জন। ইউনিয়নটিতে ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৬৯ জন।
গয়াবাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে তিন জন, সাধারণ সদস্য পদে ২৮ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৪ জন। ইউনিয়নের ভোটারসংখ্যা ১৫হাজার ৬৯০ জন।
টেপাখড়ি ইউনিয়নের ভোটার স্যংখ্যা ১২ হাজার ৬৮১ জন। সেখানে চেয়ারম্যান পদে দুইজন, সাধারণ সদস্য পদে ২৮ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ছয়জন প্রার্থী রয়েছেন।
২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এক পত্রে ইউনিয়ন পরিষদ তিনটির নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল ঘোষণার ওই পত্রে বলা হয় তিন ইউনিয়নে স্থগিত সাধারণ নির্বাচন যে পর্যায় থেকে স্থগিত করা হয়েছিল সে পর্যায় থেকে ২১ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের চারটি ছিটমল বিলুপ্ত হলে ইউনিয়ন তিনটিতে সীমানা জটিলতার মামলা দায়ের হয় উচ্চ আদালতে। সে মামলার কারণে ২০১৬ সালের ঘোষিত তফসিল স্থগিত হয়েছিল। ওই জটিলতার নিস্পত্তি হওয়ায় নতুনভাবে তফসির ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বিলুপ্ত ছিটমহেলের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। তারা সবাই এবারের নির্বাচনে ভোট তিকে পারবেন।’