এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রথিশ হত্যা মামলার দুই আসামি তার স্ত্রী দীপা ভৌমিক ও স্ত্রীর সহকর্মী কামরুল ইসলামকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।
মামলার বাদী নিহত আইনজীবী রথিশের ছোট ভাই সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিক আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানান, চলতি বছরের ২৯ মার্চ রাতে তারা বড় ভাইকে আসামি রথীশের স্ত্রী দীপা ভৌমিক ও তার প্রেমিক কামরুল খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে ওড়না গলায় পেচিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় গত ১ এপ্রিল সে নিজেই বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে তিন দিন পর ৪ এপ্রিল র্যারব-১৩ এর একটি দল তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী দীপা ভৌমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে নিজেই মোল্লাটারী মহল্লার র্যা৩ব সদস্যদের তার স্বামীকে পুতে রাখার স্থান দেখিয়ে দেয়। পরে র্যাজব ও পুলিশ মাটি খুঁড়ে বাবু সোনার লাশ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ সুরতহাল শেষে তারা লাশ ময়নাতদন্ত করার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
দীপা ভৌমিক ও কামরুল ইসলাম দুজনেই র্যাওবের কাছে রথিশ হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তিনি আসামিদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন। এরপর আদালতে সাক্ষ্য দেন তার ছোট ভাই বিপ্লব।
সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট বসুনিয়া মো. আরিফুল ইসলাম।
সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী পিপি আব্দুল মালেক জানান, আজ দুজনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে। কাল বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।