হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৮ টাকা

হিলি স্থলবন্দরে ভারতীয় পেঁয়াজভর্তি ট্রাক (ছবি– প্রতিনিধি)

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৬-৮ টাকা কমেছে। স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি কিছুটা বাড়ায় এবং দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

৪ দিন আগে পেঁয়াজ কেজিতে ১৭ টাকা থেকে ২১ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৯ টাকা থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে লোকসান গুণছিলেন আমদানিকারকরা। পরে তারা পেঁয়াজ আমদানি কমিয়ে দেন। এতে প্রতিদিন বন্দর দিয়ে ২৫-৩০ ট্রাকের মতো পেঁয়াজ প্রবেশ করতো। বর্তমানে আবারও পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে। এখন বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৩৫-৪০ ট্রাক পেঁয়াজ আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বর্তমানে ভারত থেকে ইন্দোর ও বেলোরি জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। এর মধ্যে প্রতি কেজি ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) বিক্রি হচ্ছে ৯-১০ টাকায়। আর প্রতি কেজি বেলোরি জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪-১৫ টাকায়। চার দিন আগেও এই দুই জাতের পেঁয়াজ কেজিতে ১৭-২১ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সরেজমিনে বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা কিছুটা নিম্নমানের পেঁয়াজ খুচরাতে ১০-১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চার দিন আগেও এসব পেঁয়াজ ১৮-২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। এ ছাড়া, দেশি পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং দেশীয় পাতা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা বেড়েছে। আমদানিও ভালোই হচ্ছে। এদিকে, বাজারে দেশীয় পাতা পেঁয়াজ উঠেছে। এতে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কমছে।