নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জনের মনোনয়ন বহাল রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
নীলফামারী-১ আসনে চার জন, নীলফামারী-২ (সদর) আসনে এক জন, নীলফামারী-৩ আসনে ছয় জন, নীলফামারী-৪ আসনে আট জন। মোট ১৯ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়।
রবিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে যাচাই বাছাই শুরু হয়। প্রথমার্ধে সাত জনের মনোনয়ন স্থগিত করা হলে বিকালে পুণযাচাই শেষে ২৬ জনকে বৈধ ঘোষণা করে ১৯ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন।
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে দলীয় মনোনয়ন না থাকায় আমিনুল হোসেন সরকার (আ.লীগ), এ আহমেদ বাকের বিল্লাহ্ মুন (বিএনপি), নাগরিকত্বের প্রমাণ না থাকায় মকদুম আজম মাসরাফির (স্বতন্ত্র) এবং এক শতাংশ ভোটারের তথ্যের গড়মিলের কারণে জামায়াতের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সাত্তারের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। আসনটিতে ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে চার জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় এখন বৈধ প্রার্থী রয়েছে ১০ জন।
নীলফামারী-২ (সদর) আসনে সাত জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী এজানুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এক শতাংশ ভোটারের তথ্যের গড়মিলের কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। আসনটিতে বৈধ প্রার্থী সংখ্যা ছয় জন।
নীলফামারী-৩ (জলঢাকা ) আসনে বিএনপি নেতা ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেটের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। জলঢাকা পৌরসভার মেয়র পদে থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়।
অপরদিকে, দলীয় মনোনয়ন না থাকায় গোলাম পাশা এলিচ (জাসদ ইনু), একভাগ ভোটারের শর্ত পূরণের তথ্যে গড়মিল থাকায় বাদশা আলমগীর (স্বতন্ত্র), জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলী মিণ্টু (স্বতন্ত্র), যুবলীগ নেতা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর (স্বতন্ত্র) ও হলফনামা না থাকায় মোজাম্মেল হকের (গণফ্রণ্ট) মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সেখানে বৈধ প্রার্থী পাঁচ জন রয়েছে।
নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে আমজাদ হোসেন সরকারের (বিএনপি)। সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র পদে থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। অপরদিকে, কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে থেকে মনোনয়ন দাখিল করায় রশিদুল ইসলামের (স্বতন্ত্র) মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন না থাকায় সিকান্দার আলী (আ.লীগ) আক্তার হোসেন বাদল (আ.লীগ), আমিনুল ইসলাম সরকার (আ.লীগ), আমেনা কোহিনুরের (আ.লীগ) মনোনয়ন বাতিল হয়।
শর্ত অনুযায়ী ভোটারের তথ্যের গড়মিলের কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরহাদ হোসেন সম্রাট (স্বতন্ত্র) বসুন্ধরা কিংসের সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজের (স্বতন্ত্র)।এই আসনে প্রার্থী সংখ্যা ১৩। এখন আসনটিতে বৈধ প্রার্থী পাঁচ জন থাকল।