রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সব মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও ঠাকুরগাঁও-১ থেকে একজন ও ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।’
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে সাতজনের মধ্যে ৬ জনের প্রার্থিতা বৈধতা পেয়েছে। তারা হলেন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি), রমেশ চন্দ্র সেন (আ. লীগ), অ্যাড. ইমরান হোসেন চৌধুরী (ওয়ার্কার্স পার্টি), আব্দুল জব্বার (ইসলামী আন্দোলন), অ্যাড. বলরাম গুহ ঠাকুরতা (ন্যাপ), রফিকুল ইসলাম (ইসলামী ঐক্যজোট),
অন্যদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জাকের পার্টির আল মামুনের সম্পদের হিসাবের দুটি ফরম পূরণ না করায় ও স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- দবিরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ), মাওলানা আব্দুল হাকিম (বিএনপি), জুলফিকার মর্তুজা তুলা চৌধুরী (বিএনপি), টিএম মাহবুবুর রহমান (বিএনপি), আব্দুস সালাম (বিএনপি), সামসুজ্জোহা (জাকের পার্টি), রেজাউল করিম (ইসলামী আন্দোলন)।
অপরদিকে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বাছাইয়ে উত্তীর্ণ ৮ প্রার্থী হলেন- বর্তমান এমপি প্রভাষক ইয়াসিন (ওয়ার্কার্স পার্টি), সাবেক এমপি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইমদাদুল হক (স্বতন্ত্র), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (জাতীয় পার্টি), জাহিদুর রহমান (বিএনপি),এনামুল হক (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট), নাজিম উদ্দিন আহমেদ (ইসলামী আন্দোলন), প্রভাত সমীর শাহজাহান (সিপিবি), শাফি আল আসাদ (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি)।
ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে আ. জলিল (স্বতন্ত্র), গোপাল চন্দ্র রায় (স্বতন্ত্র), রাজেন্দ্র কুমার রায় (স্বতন্ত্র), এসএম খলিলুর রহমান সরকার (বিকল্পধারা বাংলাদেশ) প্রার্থীর শর্তাবলি পূরণ না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।