খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে থাকবে কি থাকবে না এখন পর্যন্ত নিশ্চিত না। তার জন্যই একাধিক আসনে মহাজোটের প্রার্থীর পাশাপাশি জাতীয় পার্টির প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নির্বাচনে না থাকলেও জাতীয় পার্টি ও মহাজোট নির্বাচন করবে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোরও প্রার্থী রয়েছে। ২০১৪ সালের মতো ফাঁকা মাঠে নয়, বরং এবারে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কার কোনও বিকল্প নেই। নৌকা বিজয়ী হলেই শেখ হাসিনা বিজয়ী হবে, আর উন্নয়নের গতি অব্যাহত থাকবে। বিএনপি’র শাসনামলে শুধু গুম আর হত্যার রাজনীতি হয়েছে। শেখ হাসিনাকে বোমা দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ে জ্বালাও-পোড়াও করেছে। নিরীহ মানুষজনের ওপর আক্রমণ হয়েছে, বাসে অগ্নিসংযোগ হয়েছে। সেই আগুনে পুড়ে গেছে অনেকেই। বাবার সামনে ছেলে পুড়ে মারা গেছে। ৯৩ দিন দেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এমন দলকে কোনোভাবেই দেশের মাটিতে ঠাঁই দেওয়া ঠিক হবে না।’ তাই আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে মহাজোটের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় পার্টির বিরল উপজেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. সুধির চন্দ্র শীলের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত রায় প্রমুখ।