ডিআইজি বলেন, ‘এর আগে নির্বাচনে নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল। সে বিষয়টি মাথায় রেখে এবার আমরা তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে গ্রহণ করেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন, তার নিশ্চয়তা দিয়েছি।’
দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, ‘সেনাবাহিনী রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব পালন করবে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য এবং দায়িত্ব হচ্ছে ভোটাররা যাতে বাসা থেকে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন এবং তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আবারও বাসায় ফিরে নিরাপদে থাকতে পারেন। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চত করা আমাদের দায়িত্ব।’
ডিআইজি আরও বলেন, ‘রংপুর বিভাগের মেট্রোপলিটন এলাকা বাদে ৪ হাজার ২৯৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সব কেন্দ্রে নির্বাচনি সামগ্রী পৌঁছে গেছে। এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬২ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হবে। ভোটকেন্দ্রগুলোর গুরুত্ব অনুযায়ী আমরা চরাঞ্চলের ১৮০টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে এসব কেন্দ্রে পাঁচজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রাখবো। সাধারণ ভোটকেন্দ্রে তিনজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য থাকবে। এছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়নে পুলিশের একটি টহল টিম সার্বক্ষণিক টহল দেবে। এছাড়াও বিজিবি আমাদের সার্বক্ষণিক সহায়তা করার জন্যে থাকবে। নির্বাচনে কোনও ধরনের অরাজকতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।