গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের হরিণসিংহা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, শুরুতে চারজন নারী ও দুই জন পুরুষ ভোট দেন। এ কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৩১৭ জন।
নারী ভোটার আসমা বেগম বলেন, ‘শুরুতেই কেন্দ্রে এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পরিবেশ দেখে অনেক ভালো লাগছে। ভোট গ্রহণ শেষ পর্যন্ত এ অবস্থা চলছে সবাই তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।’
আবদুল মালেক নামে ভোটার বলেন, ‘সকালে ভোট দিতে ভালো লাগে।’ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে অনেক খুশিও হন তিনি।
গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, সকাল ৮টায় একযোগে ৪৭৩টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটাররাও উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভোট দিচ্ছে। নির্বিঘ্নে ভোটাররা যাতে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন সেজন্য কঠোর নিরাপত্তা রয়েছে কেন্দ্রগুলোতে। সাধারণ কেন্দ্রে অস্ত্রধারী একজন পুলিশ ও গুরুত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় অস্ত্রধারী দুইজন পুলিশ, ১০ জন নারী-পুরুষ আনছার ও দুইজন গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি কেন্দ্রেই বাড়তি নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা। কেন্দ্রগুলোতে টহল অব্যহত রাখবে সেনাবাহীনির সদস্যদের। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও বিজিবি’র সদস্য নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দায়িত্বে আছেন ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১০ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
এর আগে, শনিবার সকাল থেকে নিজ নিজ রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য ব্যালট, বাক্স, সিল, প্যাডসহ নির্বাচনের সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয় প্রিজাইটিং অফিসারদের কাছে। পরে প্রিজাইটিং অফিসাররা আইনশৃঙ্খলাবাহীনির সদস্যদের সহায়তা নির্বাচন সরঞ্জাম নিয়ে পৌঁছান কেন্দ্রগুলোতে।
গাইবান্ধার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছিলেন ৩১ জন। তবে শেষ মহুর্তে গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষের প্রার্থী ফারুক কবীর আহমেদের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় মাঠে রয়েছেন ৩০ জন প্রার্থী। চারটি আসনে ভোটারধিকার প্রয়োগ করবেন ১৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৫ জন।