লালমনিরহাট বিএনপির ৩৪ নেতাকর্মী কারাগারে, ৩১ জনের জামিন মঞ্জুর

আদালতলালমনিরহাটের সদর থানার দায়ের করা একটি মামলার ৭১ জন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেছে। আসামিরা সবাই বিএনপির নেতা-কর্মী। আদালত ৩১ জনের মঞ্জুর করলেও অপর ৩৪ জন আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। একই মামলার অপর ছয় জন আসামি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন প্রত্যাহার করিয়ে নিলে তাদের ক্ষেত্রে আগের জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানাই কার্যকর থাকে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলাসহ অপর কিছু নেতাকর্মী জামিন পেলেও কারাগারে রয়েছেন পাটগ্রাম পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আলম শ্যামল।
লালমনিরহাট কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, লালমনিরহাট সদর থানার একটি মামলায় আদালতে ৪১৯ জন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছিল। মামলার প্রধান আসামি হারুন-উর-রশীদকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ৯০ জন আসামি জামিন নেয়। অপর ৩২৭ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এরমধ্যে বুধবার (০৯ জানুয়ারি) ৭১ জন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে।
আদালত ৩১ জনের জামিন মঞ্জুর করলেও ৩৪ জনের জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। এছাড়া ৬ জন আসামি আইনজীবী মাধ্যমে জামিন আবেদন প্রত্যাহার করিয়ে নেয়। এই ৬ জনের বিষয়ে নতুন কোনও আদেশ না দেওয়ায় পূর্বের গ্রেফতারি পরোয়ানাই বহাল রয়েছে।
বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের প্যানেল আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন রেজা স্বপনের ভাষ্য, ‘আমরা আদালতে ন্যায় বিচার চেয়ে আসামিদের জামিন প্রার্থনা করেছি। বিজ্ঞ আদালত ৩১ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন। ৬ জন আসামি আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় তাদের জামিন আবেদন উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া মোর্শেদ আলম শ্যামলসহ ৩৪ জনের জামিন নামঞ্জুর করে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আগামী ২০ মার্চ মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য হয়েছে।’