এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪ টাকা। এক সপ্তাহ আগে পাইকারিতে প্রকারভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১২ টাকা দরে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে আগের তুলনায় আমদানি খানিকটা কমেছে। আগে বন্দর দিয়ে ৩৫ থেকে ৪৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে ১৫ থেকে ২৫ ট্রাক আমদানি হচ্ছে। বর্তমানে নাসিক, ইন্দোর, গোলাপবাগ জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে বেশি। পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রকারভেদে এসব পেঁয়াজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা থেকে ১২ টাকায়। গত সপ্তাহে এসব জাতের পেঁয়াজ ৬ থেকে ৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
বাংলা হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি হওয়া ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি খুচরাতে ১০ টাকা থেকে ১২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এসব জাতের পেঁয়াজ ৬ টাকা থেকে ৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। দেশীয় জাতের পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতো দামে কেজি প্রতি ১৬ টাকা থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরে পেয়াঁজ কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪ টাকা করে বেড়েছে। এতে যেসব ব্যবসায়ী পেঁয়াজ কিনে অন্যত্র বিক্রি করে তারা ক্ষতির শিকার হচ্ছে। তারা কী দামে পেঁয়াজ কিনবে আর কী দামে বিক্রি করবে, তার কোনও কূল-কিনারা করতে পারছে না।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশীয় জাতের নতুন পেঁয়াজ উঠার ফলে বাজারে দামও খানিকটা কম রয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন স্থানে পেঁয়াজের চাহিদা কমে গেছে। তাই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিও কমেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের বাজারে আমদানিকৃত পেঁয়াজের সরবরাহ খানিকটা কমার ফলে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। এ ছাড়া, আগে আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজের মানও কিছুটা খারাপ ছিল। এখন ভালো মানের পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় দাম একটু বেড়েছে।’