জোড়া খুনের দায় স্বীকার নৈশপ্রহরীর

Untitled-1নীলফামারীর জেলার সৈয়দপুরের খাতামধুপুর ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে অবস্থিত খামারে জবাই করে এক দম্পতিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে প্রধান আসামি আব্দুর রাজ্জাক। সে খামারের নৈশপ্রহরী ছিল। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে সে বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সৈয়দপুর থানায় সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) অশোক কুমার পাল।
আব্দুর রাজ্জাক তার দেওয়া জবানবন্দিতে নিজের নির্যাতিত হওয়ার দাবি করেছে। তার ভাষ্য, মামলার বাদী সোহেল তাকে মানষিকভাবে নির্যাতন করত এবং মালিক দম্পতি ঠিকমতো বেতন দিতো না। ছুটি কাটাতে দিত না। নারীঘটিত একটি বিষয় নিয়ে তার নামে কুৎসা রটনা করত। সেই মেয়ের সঙ্গে বিয়ের চাপ দিত। যা নিয়ে বিচার-সালিশ পর্যন্ত হয়েছিল। ঘটনার রাতেও ওই দম্পতির সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে তার ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে প্রথমে সালমা বেগমকে এবং পরে নজরুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে রাজ্জাক। ঘটনা ধামাচাপা দিতে নিজের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জানুয়ারি সকালে উপজেলার খাতামধুপু ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামের লিজ নেওয়া নিজ পশুখামার থেকে শহরের বাঙ্গালীপুর নিজপাড়ার বাসিন্দা, সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক কর্মচারী নজরুল ইসলাম (৬৫) ও তার স্ত্রী সালমা বেগমের (৫৫) জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় পুলিশ গুরুতর আহত ওই খামারের নৈশপ্রহরী আব্দুর রাজ্জাককে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেদিনই নিহত দম্পতির ছেলে সোহেল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।