২৯ ভিক্ষুকের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলেন ইউএনও





মতবিনিময় সভায় ভিক্ষুকরা২৯ জন ভিক্ষুকের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তৌহিদুর রহমান। তাদের ২৫ জন নারী ও চারজন পুরুষ।



ইউএনও তৌহিদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিরামপুরকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে হলে আগে তাদেরকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহায়তা করে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে তাদেরকে বের করে আনতে হবে। কাউকে বিধবা ভাতা, কাউকে ভিজিএফ, কাউকে ভিজিডি, আবার কাউকে ১০ টাকা কেজি চালের কার্ডের আওতায় আনা হবে। আর যাদের ছেলে সন্তান রয়েছে, তাদের ভ্যান গাড়ি কিনে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’
তবে, এটা করতে একটু সময় লাগবে জানিয়ে ইউএনও বলেন, ‘এ কাজ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
ইউএনও জানান, বিরামপুর উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ও তাদের পুনর্বাসন করতে একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বিরামপুর শাখার উদ্যোগে একুট মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কাটলা ইউনিয়ন অডিটোরিয়াম কক্ষে ওই ইউনিয়নের ২৯ জন ভিক্ষুক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ মতবিনিময় সবা করা হয়।
ভিক্ষুকদের সঙ্গে ইউএনও’র মতবিনিময় সভাসভায় তাদের ও পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সমস্যাগুলো শোনা হয়। পরে তাদেরকে পুনর্বাসনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিরামপুরের কাটলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন বলেন, ‘ইউনিয়নকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। এজন্য সরকারিভাবে যেসব নির্দেশনা আসবে, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।’
মতবিনিময় সভায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল, ফিল্ড সুপার ভাইজার ধনঞ্জয় চন্দ্র রায়, মাঠ সহকারী সুদেব চন্দ্র রায়সহ কাটলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।