জানা গেছে, তিস্তা ব্যারাজের উজানে পানির বিপদসীমা নির্ধারণ করা আছে ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ব্যারাজ এলাকায় পানি ৫২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।
তিস্তা পাড়ের লোকজন জানান, হঠাৎ ঢলে তিস্তার দুইধারে বসবাসরত মানুষের কিছু ঘর-বাড়ি পানিতে ডুবে গেছে।
তারা আরও জানান, সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজের উজানে ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের জলকপাটগুলো খুলে দেওয়া হয়। এতে ভাটিতে লালমনিরহাট অংশে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ বেড়ে গেছে।
দহগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মোবাইলফোনে বলেন, ‘প্রায় পানিশূন্য তিস্তায় হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দহগ্রাম ইউনিয়নের বেশকিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে দেড় থেকে দুইশ’ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।’
তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমিনুর রশীদ মোবাইলফোনে জানান, ‘ভারত পানি ছেড়ে দেওয়ায় তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচে পানিপ্রবাহ রয়েছে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটারের ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানিপ্রবাহিত হচ্ছে। যেখানে তিস্তা ব্যারাজের উজানে ১৭ জুন পানিপ্রবাহ ছিল ৫২ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটারের নিচে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তিস্তায় পানিপ্রবাহ আরও বাড়তে পারে। এজন্য তিস্তা ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খুলে পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।’