শনিবার (২২ জুন) বিকালে হাকিমপুর সার্কেল কার্যালয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আখিউল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
এদিকে রিমান্ড শেষে মামলার অপর আসামি আসাদুল ইসলাম (৩২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেফতার মিলন ও আসাদুলের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার সুলতানপুর কেশরগাড়ী গ্রামে।
এএসপি আরও জানান, রতন গত ২৭ মার্চ রতন ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরদিন তিনি নিজের জমিতে কাজ করতে গেলে শহিদুল পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রতনকে অনুসরণ করতে থাকে। সন্ধ্যার দিকে রতন নিজ বাড়ির দিকে আসার সময় গোবিন্দপুর সিংগিবাড়ি চরের কাছে মিলন গাছের ডাল দিয়ে রতনের মাথায় আঘাত করে। এরপর চারজনে মিলে মারধর করে ও গলা কেটে রতনের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তারা লাশটি পাটক্ষেতে লুকিয়ে রাখে। দুদিন পর এ লাশ উদ্ধার হয়।
পরে ৩ এপ্রিল রতনের মা রশিদা বেগম বাদী হয়ে দিনাজপুর আদালতে এনামুল, শহিদুল এবং আসাদুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।