আতপজান বেওয়ার বাড়ি সাদুল্যাপুর উপজেলার ৫ নম্বর ফরিদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদ করীম গ্রামে। তিনি গ্রামের মৃত মছির উদ্দিন সরকারের প্রথম স্ত্রী। আতপজান বেওয়ার বয়স ৯২ বছর। ১৫ বছর আগে স্বামী মছির উদ্দিন সরকার মারা যান। আতপজনের কোনও ছেলে-মেয়ে নেই। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে অভাব-অনটনে দিন কাটছিল আতপজানের।
সাদুল্যাপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মানিক চন্দ্র রায় বলেন, ‘দরিদ্র আতপজানের অসহায়ত্বের বিষয়টি অবগত হওয়ার পর তাকে ভাতার কার্ড করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আতপজানকে আমার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসি। কাগজপত্র যাচাই ও দাফতরিক কাজ সম্পন্ন করে আতপজানের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হয়।’
আতপজান বেওয়া বলেন, ‘কার্ডের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে-দ্বারে ঘুরেছি। কিন্তু, ভাতার তালিকায় নাম ওঠেনি। অনেক কষ্টেই চলছি, কোনওদিন না খেয়েও দিন কেটেছে। বয়স আর শারীরিক নানা অসুখে ভুগলেও ঠিকমতো ওষুধ কিনতে পারিনি। কিন্তু, এখন সেই কষ্ট হয়তো কমবে, অন্তত কার্ডের টাকায় কিছুটা হলেও শান্তিতে থাকতে পারবো।’ তিনি সমাজসেবা অফিসার ও ইউনিয়ন সমাজকর্মীকে ধন্যবাদ জানান।