বিজিবি কান্ধাল বিওপির হাবিলদার আমির হামজা বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের ৩৫৮ মেইন পিলারের ৮-আর পিলার এলাকার সুইচগেটের কাছাকাছি নাগর নদীতে একটি লাশ দেখতে পাই। বিষয়টি জানাজানি হলে নিহতের ভাই তজির উদ্দীন ঘটনাস্থলে এসে আল-আমিনের লাশ শনাক্ত করেন।’
হরিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সবুর আহম্মেদ জানান, লাশের খবর কান্ধাল বিওপির মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। পরে ঘটনাস্থল বুড়ির হাটে গিয়ে শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে আল আমিনের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
আল আমিন উপজেলার ৬নম্বর ভাতুরিয়া ইউনিয়নের রামপুর-ভাতুরিয়া গ্রামের খয়ের বকশের ছেলে।
খয়ের বকশ বলেন, ‘আমার ছেলে বুধবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে আর বাড়ি ফেরেনি। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ৪নম্বর ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নের কান্ধাল-রহমতপুর সীমান্ত এলাকার নাগর নদীর বুড়িরঘাটে ভাসমান লাশের খবর পাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার ছেলে আল আমিনের লাশ শনাক্ত করি।’