এরই মধ্যে কোরবানির জন্য পশু কেনাবেচা শুরু হয়েছে। তবে হাট জমতে আরও কয়েকদিন দেরি হবে বলে খামারি ও গৃহস্থরা জানিয়েছেন। এরই মধ্যে গরু ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন এলাকার ব্যাপারীরা খামারে খামারে গিয়ে চাহিদা মতো গরু কিনতে শুরু করেছেন।
জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছ, জেলায় নিবন্ধিত খামারে ৫৮ হাজার ১২০টি পশু প্রস্তুত করছেন খামারিরা। এর বাইরেও গৃহস্থ পরিবারগুলো কোরবানির জন্য গরু-ছাগল প্রস্তুত করেছে।
জেলা শহরের নিউবাবু পাড়ার গরুর খামারি শফিয়ার রহমান বলেন,প্রতি বছর কোরবানির জন্য ১০-১২টি ষাঁড় দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করে থাকি। দেশী গরুর বাজারে চাহিদা থাকায় খাওয়া খরচ বাদ দিয়ে এবারে লাভের মুখ দেখা যাবে। আশা করি, ভারতের গরু ছাড়াই আমাদের দেশীয় গরু দিয়ে কোরবানির হাট-বাজারগুলো ভরে যাবে।
জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মোন্নাকা আলী বলেন, এবারে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাতে যে পরিমাণ গরু ছাগল লালন-পালন করা হয়েছে তাতে পশুর কোন ঘাটতি হবে না। বরং চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত রয়েছে। প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করণের জন্য উপজেলা ভিত্তিক তালিকাভুক্ত খামারিদের সারা বছর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।