ঈদের আগেই হিলিতে গরম মসলার বাজার অস্থিতিশীল

মসলার বাজারঈদের আগেই দিনাজপুরের হিলির মসলার বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। দাম বেড়েছে জিরা,এলাচ,লবঙ্গ,দারুচিনিসহ বিভিন্ন মসলার। এতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। তবে সরবরাহ ভালো থাকায় পেঁয়াজ,আদা, রসুনের দাম কমেছে।

বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চাহিদা বাড়ায় কয়েক দিনের ব্যবধানে গরম মসলার দাম বেড়েছে। সাদা এলাচ বর্তমানে প্রকারভেদে ২৩০০-২৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।  কিছুদিন আগে যা দাম আরও কমে ছিল। দারুচিনি ৩৭০-৩৭৫ টাকায়,  জিরা ৩২০-৩২৫ টাকায়, লবঙ্গ ৯০০ টাকা, লবঙ্গ ও কালো এলাচ আগে প্রকারভেদে ৯০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন দাম কমে ৭০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পেঁয়াজ ১৮-২০ টাকা কেজি, রসুন ১০০-১১০ টাকা, আদা ১৪০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মসলা কিনতে আসা নাসরিন সুলতানা ও ইমরান হোসেন বলেন, ঈদের জন্য প্রয়োজনীয় মসলা কিনতে এসেছেন। বেশি দরকার সাদা এলাচ, দারুচিনি ও জিরা। এসব মসলার দামই বেশি বেড়েছে। ফলে এসব মসলা কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যেহেতু প্রয়োজন সেজন্য বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে। অন্য মসলার দাম অবশ্য কিছুটা কম আছে।

মসলার বাজারবাংলাহিলি বাজারের রকমারি মসলা ঘরের মালিক মওদুদ আহমেদ জানান, কোরবানির ঈদের জন্য সাদা এলাচ, জিরা, দারুচিনি ও লবঙ্গের দাম খানিকটা বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাজারে এই পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। তবে গোলমরিচ ও কালো এলাচের দাম আগের তুলনায় কমেছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম জানান, কোরবানি ঈদকে ঘিরে বন্দরে পেঁয়াজের আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। এর কারণে বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৪৫-৫০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কমেছে। বতর্মানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারিতে ১৮-২৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ঈদের সময় পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছন তিনি।