নীলফামারীতে আরও দুইজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) এ দুই রোগীকে শনাক্ত করা হয়। এ নিয়ে গত ১৫ দিনে (২৫ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট) এ জেলায় ৫২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।
নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. আবু শফি মাহমুদ বলেন, ‘গত ১৫ দিনে জেলায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৫২ জন। এর মধ্যে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ২৫ জন। এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচজন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ জন এবং রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানন্তর করা হয়েছে ছয়জনকে।’
নীলফামারী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীরা হলেন– সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের সুটিপাড়া গ্রামের মো. আবেদীন (৩০), জলঢাকার কাঁঠালী ইউনিয়নের দক্ষিণদেশীবাই গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন (২২), একই উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানপাড়া গ্রামের লিমন হোসেন (১৯), সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের রামগঞ্জ গ্রামের সোহাগ হোসেন (১৯), কচুকাটা ইউনিয়নের বামনাবামনি গ্রামের আব্দুল কাদের (১৬)।
নীলফামারী থেকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানন্তর করা রোগীরা হলেন– জেলা সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের কেরানীপাড়া গ্রামের এরশাদুল ইসলাম (১৭), চড়াইখোলা ইউনিয়নের পশ্চিম কুচিয়ার মোড় গ্রামের পরিতোষ চন্দ্র রায় (২৮), জেলা শহরের গাছবাড়ী এলাকার আব্দুল লতিফ (৪৫), ডোমারের সোনারায় ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের রিয়াজুল ইসলাম (২৫), জেলা শহরের শান্তিনগর গ্রামের ফারুক হোসেন (২২) ও সবুজপাড়া গ্রামের লিখন ইসলাম (১৮)।
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন– সদরের পলাশবাড়ি ইউনিয়নের তরণীবাড়ি গ্রামের রবীন্দ্র নাথ রায় (৩২), লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের লক্ষ্মীচাপ গ্রামের রায়হান ইসলাম (১৭), জেলা শহরের মার্কাস মসজিদপাড়া গ্রামের মো. মুঈদ (১১), কচুকাটা ইউনিয়নের বাজিতপাড়া গ্রামের মঞ্জুরুল হক (২৮), চওড়াবড়গাছা ইউনিয়নের কিষামত চওড়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২৫), একই ইউনিয়নের ভাঙ্গামাল্লি গ্রামের আলম মিয়া (২৬), রামনগর ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম (২৫), চওড়াবড়গাছা ইউনিয়নের কিসামত দুলুয়া গ্রামের সুজন রায় (১৫), ডোমারের ধরনীগঞ্জ গ্রামের হরিদাস রায় (২৯), জেলা শহরের গাছবাড়ি এলাকার পপি আক্তার (২০) পুরাতন স্টেশনপাড়া গ্রামের মহসীন আলী (১৮), রামনগর ইউনিয়নের বাহালীপাড়া গ্রামের মাজেদুল ইসলাম (৩০), একই গ্রামের দুলু মিয়া (২২), জেলা শহরের সরকারপাড়া গ্রামের আজিনুর রহমান (২২)।
সিভিল সার্জন রনজিৎ কুমার বর্মন বলেন, ‘জেলায় যে ৫২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে, তারা সবাই ঢাকায় আক্রান্ত হয়ে এলাকায় এসেছে।’