অবৈধভাবে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের গাছ কাটার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে





গাছ কেটে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ফেলে রাখা হয়েছেনিয়ম না মেনে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহানহাট ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান লিটনের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান অনেকগুলো গাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিনকে জানানো হলে তিনি তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদুল হককে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।


স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া আছে এমন কথা বলে এক সপ্তাহ ধরে চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের চারপাশের মেহগনি, কাঁঠাল, আকাশমনি, জলপাইসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় অর্ধশত গাছ কেটেছেন। গাছগুলোর কিছু লগ গোপনে বিক্রি করেছেন তিনি। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করায় কিছু গাছ পরিষদ চত্বরে রেখে দেওয়া হয়েছে।
গাছ কেটে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ফেলে রাখা হয়েছেনাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন জানান, প্রশাসনের অনুমতি রয়েছে এমন কথা বলে চেয়ারম্যান গাছ কেটেছেন। পরে যখন স্থানীয়রা জানতে পারেন তিনি অনুমতি না নিয়েই গাছ কেটেছেন, তখন তারা প্রতিবাদ করেন। বিষয়টি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকেও জানান তারা।
শালবাহান এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস, শওকত আলী ও আব্দুস সামাদ জানান, ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বড় বড় গাছ ছিল। এগুলো চত্বরে ছায়া দিতো ও সৌন্দর্য বাড়াতো। একইসঙ্গে গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিতেন স্থানীয়রা। অথচ সেই গাছ কেটে বিক্রি করে চেয়ারম্যান টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তবে চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান লিটন জানান, গাছের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্ষতি হচ্ছে, এ কারণেই পরিষদের সবার মত নিয়ে গাছ কাটা হয়েছে। ৩৫টির মতো গাছ কাটা হয়েছে। গাছগুলো পরিষদে চত্বরে স্তুপ করে রাখা আছে।