স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া আছে এমন কথা বলে এক সপ্তাহ ধরে চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের চারপাশের মেহগনি, কাঁঠাল, আকাশমনি, জলপাইসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় অর্ধশত গাছ কেটেছেন। গাছগুলোর কিছু লগ গোপনে বিক্রি করেছেন তিনি। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করায় কিছু গাছ পরিষদ চত্বরে রেখে দেওয়া হয়েছে।
শালবাহান এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস, শওকত আলী ও আব্দুস সামাদ জানান, ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বড় বড় গাছ ছিল। এগুলো চত্বরে ছায়া দিতো ও সৌন্দর্য বাড়াতো। একইসঙ্গে গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিতেন স্থানীয়রা। অথচ সেই গাছ কেটে বিক্রি করে চেয়ারম্যান টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তবে চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান লিটন জানান, গাছের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্ষতি হচ্ছে, এ কারণেই পরিষদের সবার মত নিয়ে গাছ কাটা হয়েছে। ৩৫টির মতো গাছ কাটা হয়েছে। গাছগুলো পরিষদে চত্বরে স্তুপ করে রাখা আছে।