হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে ঈদের আগে প্রতিদিন ৪৫-৫০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। বর্তমানে ২৫-৩০ ট্রাক পেঁয়াজ আসছে। নাসিক, ইন্দোর, পাটনা, শেখপুরা জাতের পেঁয়াজ বেশি আসছে।
পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে পেঁয়াজের ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম খানিকটা বেড়ে গেছে। এছাড়াও আমাদের দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরাও দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তারা কেজিতে ৫-৭ টাকা করে বাড়িয়েছেন। বাড়তি দামের কারণে আমদানি কমে যাওয়ায় দেশে সরবরাহ কমে গেছে। তাই সারাদেশেই পণ্যটির দাম বাড়তে পারে।’
এই ব্যবসায়ী বলেন, ‘পেঁয়াজ ব্যবসায় সিন্ডিকেট বলে কিছু নেই। পেঁয়াজ হচ্ছে কাঁচামাল। মজুদ করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বাড়ানোর সুযোগ থাকে না।’