মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘রংপুর সদর মরহুম এরশাদের আসন। এ আসনে প্রতিবারই তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এ আসনের উপনির্বাচনে জোটগতভাবে নির্বাচন করার দাবি আমাদের। এ আসনে যাতে আওয়ামী লীগ কোনও প্রার্থী না দেয়, সেজন্য অনুরোধ রইলো।’
জাপা মহাসচিব বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও অন্য দলের সঙ্গে মহাজোটগতভাবে অংশ নিয়েছি আমরা। এখন না হয় আমরা বিরোধী দলে আছি। নির্বাচন তো একসঙ্গেই করেছি। সে কারণে জাতীয় পার্টি মনে করে, এরশাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে রংপুর সদর আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দেবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপনির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করার বিষয়টি আমরা এতদিন স্থগিত রেখেছিলাম। প্রার্থী বাছাই করার জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে; সেই কমিটিতে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং আমিসহ প্রেসিডিয়াম সদস্যরা আছেন। কমিটির সদস্যেরা প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন; দলের জন্য ত্যাগ-তিতিক্ষা ইত্যাদি বিষয় যাচাই-বাছাই করে একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবেন। এ নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না বলে আমি মনে করি।’
ডেঙ্গু সমস্যা বা কৃষকদের ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এসবের সঙ্গে সরকার জড়িত নয় বলেই আমরা মনে করি। তবে কিছু মধ্যস্বত্বভোগী আছে; যারা সব সরকারের আমলে সুবিধা নেয় ও দুর্নীতি করে। এরাই সরকারকে ডুবায়। এদের সম্পর্কে সজাগ থাকার জন্য সরকারকে আমরা বলেছি।’
এ সময় এরশাদের পুত্র রাহগির আল মাহি এরশাদ ওরফে শাদ এরশাদ বলেন, ‘দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি সদর আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে চাই। আমি আমার বাবা এরশাদের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবো; একইসঙ্গে বাবার মতো রংপুরের মানুষের সেবা করবো।’
এর আগে শাদ ও জাপা নেতা নাসিম ওসমানসহ অন্য নেতাদের নিয়ে এরশাদের কবর জিয়ারত এবং ফাতেহা পাঠ করেন দলের মহাসচিব রাঙ্গা। পরে এরশাদের কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজারো মানুষ অংশ নেন।