স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে আয়নালের গোয়াল ঘরে আগুন লাগে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন পুরো গোয়াল ও পার্শ্ববর্তী থাকার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে গোয়াল ঘরে থাকা আটটি গরু পুড়ে মারা যায়। আরও ১২টি গরু আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হয়েছে। পুড়ে গেছে থাকার ঘরের আসবাবপত্রও।
আয়নাল মিয়া বলেন, ‘গোয়ালে গরুর সঙ্গে কয়েকটি ভেড়ার বাচ্চাও ছিল। রাতে সেগুলো খাবার দিতে যাওয়ার সময় পাটকাঠিতে আগুন ধরানো হয়েছিল। সেখান থেকে আগুন ধরে গোয়ালে থাকা পাটকাঠি। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। গরু পালন করেই জীবিকা নির্বাহ করি। আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।’
ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ আলম জানান,আয়নাল মিয়ার বাড়িতে আগুন লেগে গরু পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আমাদের চিকিৎসাকর্মীরা গিয়ে আহত গরুর চিকিৎসা দিয়েছেন। তবে পুড়ে যাওয়া গরুগুলো ঝুঁকিমুক্ত নয়।’
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াছমিন জানান, গোয়াল ঘরে আগুন লেগে গরুর মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে সে মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করা হবে।