উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিরামপুরে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার তিনটি ও বীজাগার ভবন রয়েছে একটি, নবাবগঞ্জে কৃষি কর্মকর্তার ভবন পাঁচটি, বীজাগার দু’টি এবং একটি উদ্ভিদ সংরক্ষণাগার রয়েছে। ঘোড়াঘাটে তিনটি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার ভবন ও একটি বীজাগার এবং হাকিমপুরে তিনটি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার ভবন রয়েছে।
ওই চার উপজেলার কৃষি কার্যালয়ে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েজন জানান, বাস ও ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় ১৯৮৬-৮৭ সালের পর থেকে এসব ভবনে আর কেউ থাকে না। সেইসঙ্গে বীজাগারও ব্যবহার করা হয় না।
সরেজমিন দেখা গেছে, জরাজীর্ণ বেশিরভাগ ভবনই জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। দরজা জানালা খুলে নিয়ে গেছে। কয়েকটি ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় কিছু ভূমিহীন মানুষ বাস করছেন। এসব ভবন ব্যবহার না করায় ভবনের পার্শ্ববর্তী জায়গাগুলো স্থানীয়রা ব্যবহার করেছেন। কেউ কেউ বর্তমান ভূমি জরিপে এসব জমি তাদের নামে করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
নবাবগঞ্জের কৃষি অফিসার আবু রেজা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের সেবা ও বিভিন্ন ফসলের উন্নত বীজ সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার জন্য এসব ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে এসব ভবন ব্যবহার অনুপযোগী। এসব ভবন ও জমি যেনও কোনোভাবে বেহাত না হয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সে নির্দেশনা দিয়েছেন।
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তৌহিদ ইকবাল জানান, ভবনগুলোর সংস্কারের যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি জমিগুলোর দলিল ও রেকর্ড কৃষি বিভাগের নামে হয়নি। ফলে জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এসব জটিলতা নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কাজ করছেন। সমস্যা মিটলে ভবনগুলো নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।