হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা মাহবুব হোসেন ও নজরুল ইসলাম বলেন, পেঁয়াজের বাজার কোনোভাবেই স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে না। মাঝখানে কয়েকদিন কম থাকার পর আবারও পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। একলাফে কেজিতে ৩০ টাকা করে বেড়েছে। এভাবে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছে। এককেজি পেঁয়াজ কিনতে যদি ১০০ টাকা লাগে তাহলে আর বাজার করবো কীভাবে। আমাদের তো আয় সেভাবে বাড়ছে না। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ যেন পেঁয়াজের বাজারটা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ফেরদৌস রহমান ও শাকিল খান বলেন, বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো থাকায় পেঁয়াজের দাম কমে এসেছিল। দু’দিন আগেও আমরা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। সোমবার থেকেই পেঁয়াজের বাজারটা চড়া।
দাম বাড়ার কারণ হিসেবে তারা বলছেন, আমাদের অঞ্চলে সাধারণত রংপুর ও পাবনা অঞ্চলের পেঁয়াজ সরবরাহ হতো। কিন্তু ওইসব অঞ্চলের পেঁয়াজ শেষ হয়ে যাওয়ায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। উল্টো এখন আমাদের এই অঞ্চল থেকে পেঁয়াজ ওই দিকে যাচ্ছে। চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বাড়তি। এছাড়াও বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজের সরবরাহ থাকায় যারা আমদানি করতেন তারাও পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। যার প্রভাব পড়েছে দামে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রংপুরে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত থেকে আর পেঁয়াজ আমদানি করবো না। পেঁয়াজ আমদানি না করে কৃষকদের প্রণোদনা দিয়ে পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে।