শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে হিলি ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত থেকে দেশে ফিরেন সে। এ সময় তাকে মেডিক্যাল টিম পরীক্ষা করে। পরে তার মধ্যে ভাইরাস আক্রান্তের কোনও লক্ষণ না পাওয়ায় তাকে বাড়িতে যেতে দেওয়া হয়। তবে তাকে নিজ বাড়িতে দুই সপ্তাহের জন্য পর্যবেক্ষণ করবে প্রশাসন। সে বিরামপুর উপজেলার থানাপাড়া গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য মোস্তফা কামালের ছেলে।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ও বিরামপুর উপজেলা প্রশাসন বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে।
হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুস সাঈদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশে প্রবেশের সময় মেডিক্যাল টিম রায়হানকে চেকআপ করে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ায় তার ঠিকানা রেখে তাকে ছেড়ে দেয়। তবে তাকে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে মাস্ক ব্যবহার, জ্বর মাপার পরামর্শ দিয়ে তার বাড়িতেই ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে রেখেছি।’
রায়হানের বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে দিনাজপুরের সিভিল সার্জন আব্দুল কুদ্দুছ জানান, তার সঙ্গে এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। চীন থেকে ফিরলেও তার মাঝে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের কোনও লক্ষণ নেই। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী তাকে ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘যেহেতু ১৪ দিন ধরে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তাই তার মাঝে কোনও লক্ষণ না থাকলেও তিনি যেন বাড়ি থেকে বের না হন সেই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’