অভিযুক্ত নাজমুল ইসলাম (২২) উত্তর অনন্তপুর মোল্লাটারী গ্রামের খবিজলের ছেলে। সে চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
মেয়েটির পরিবার জানিয়েছে, জীবিকার তাগিদে প্রায় ৮ বছর ধরে তারা বাবা-মা দিল্লির একটি ইটভাটায় কাজ করছেন। তখন থেকেই খালার কাছে থাকতো সে। নাজমুল প্রায় তাকে উত্ত্যক্ত করতো। এ নিয়ে নাজমুলের পরিবারের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেও কোনও সুরাহ হয়নি। উল্টো তারা মেয়েটির পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়িতে মেয়েটি একা ছিল। এ সুযোগে নাজমুল তাকে ধর্ষণ করে। মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে ফেলে পালিয়ে যায় সে। কিছু সময় পরে পরিবারের লোকজন এসে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে গেলে নাজমুল ও তার বাবা, চাচা সাইফুল ইসলামসহ পরিবারের লোকজন ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আপসের কথা বলে। এছাড়া তাদের থানায় যেতে বাধা দেয়।
মেয়েটির বড় বোন জানান, অভিযুক্ত নাজমুলের পরিবার তাদের হুমকি দিয়ে ঘটনা প্রকাশ করতে বাধা দেয় এবং মীমাংসা করতে বলে।
স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফ আলী বলেন, ‘মেয়েটির অবস্থা বেগতিক দেখে গ্রামের লোকজন শুক্রবার তাকে আমার বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে তাকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে গভীর রাতে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় বলেন, ‘বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নাজমুলের বাবা আমাদের কাছে আপসের চেষ্টা করার কথা স্বীকার করেছে। আমরা ওই শিক্ষার্থীকে আইনি সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছি। দোষীদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’