জানা গেছে, বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের কাশিমনগর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রাই নদী খননের পর সেই বালু চরের ফসলি জমির ওপর ফেলা হচ্ছে। যাতে ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বালু ফসলি জমির ওপর না ফেলে ফাঁকা জমিতে ফেলার আবেদন জানিয়েছেন কৃষকরা। একইসঙ্গে আগামী ৪০ দিন ওই স্থানে বালু খনন কার্যক্রম বন্ধ রেখে অন্যত্র কার্যক্রম করার আবেদন জানিয়েছেন তারা।
কৃষকরা জানিয়েছেন, নাব্য ফেরাতে কাশিমনগর গ্রামে আত্রাই নদীতে খনন চলছে। এ বালু জমিতে ফেলায় ফসল নষ্ট হচ্ছে। তবে দুই মাস সময় দিলে ফসল ঘরে তুলতে পারবেন তারা। যদি ফসল না উঠে তাহলে হাজার হাজার টাকা ব্যাংক ও এনজিও থেকে লোন করে নদীর চরে আবাদ করেছেন।
কৃষক ফজর আলী বলেন, ‘আমি নদীর চরে ৯ বিঘা জমিতে ভুট্টা লাগিয়েছি। আমার মতো অনেক ভূমিহীন কৃষক চরে আবাদ করেছেন। হঠাৎ করে নদী খনন শুরু হয়েছে। বালু উত্তোলন করে আমাদের ফসলের ওপর ফেলায় হুমকির মুখে পড়েছি। আমি ২ লাখ টাকা খরচ করে এসব চাষাবাদ করছি। বালুতে ফসল নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আমার পথে বসা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না।’
কাশিমনগর গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুর সালাম বলেন, ‘আমাদের এখানে অনেক মানুষ ভূমিহীন। তারা এই জমিতে আবাদ করে সংসার চালান। আমরা চাই এসব অসহায় মানুষদের ২ মাস সময় দেওয়া হোক। তারা যেন ফসল ঘরে তুলতে পারে। আর বালু ফেলার অনেক জায়গা আছে।’
এলাকাবাসী ৪০ দিনের সময় চেয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত আবেদনও জমা দিয়েছে।